বাংলাদেশ, বুধবার, ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২১

শিরোনাম

চট্টগ্রাম মহানগর যুবলীগ : এক আহ্বায়ক বনাম চার যুগ্ম আহ্বায়ক, কারণ কি ?


প্রকাশের সময় :৭ নভেম্বর, ২০২০ ৫:২২ : অপরাহ্ণ

বিশেষ প্রতিনিধি : তিন মাসের মধ্যে চট্টগ্রাম মহানগর যুবলীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করার লক্ষ্যে ২০১৩ সালের ১৩ জুলাই ১০১ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয় কেন্দ্র থেকে। সেই কমিটি বিগত ৭ বছর যাবৎ ঐক্যবদ্ধ ভাবে বেশ কিছু কর্মসূচি সফল করতে পারলেও মূল দ্বায়িত্ব তথা সম্মেলন আয়োজনে ব্যর্থ হয়েছেন৷

যদিও এতোদিন সেই ব্যর্থতার অভিযোগ খন্ডন করে আহ্বায়ক মহিউদ্দিন বাচ্চু এবং তার চার যুগ্ম আহবায়ক দেলোয়ার হোসেন খোকা, ফরিদ মাহমুদ, মাহবুবুল হক সুমনক ও দিদারুল আলম একই সূরে নিজেদের আত্মপক্ষ সমর্থন করে আসছিল। কিন্তু সম্প্রতি সেই সুরের ছন্দ পতন হয়েছে। আহ্বায়ককে ছাড়াই চার যুগ্ম আহ্বায়কের আয়োজনে জেলহত্যা দিবসের কর্মসূচি পালনের মধ্যদিয়ে আহ্বায়কের সাথে চার যুগ্ম আহ্বায়কের বিভাজন স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে৷

৩ নভেম্বর জেলহত্যা দিবসের অনুষ্ঠানে নগর যুবলীগের চার যুগ্ম আহ্বায়ক

যদিও এর আগে গত ২২ অক্টোবর জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সন্তান শেখ রাসেলের জন্মদিন উপলক্ষে নগরীর দারুল ফজল মার্কেটের দলীয় কার্যালয়ে চার যুগ্ম আহ্বায়ক আয়োজিত সভাটিতে প্রথমবারের মতন এই আহবায়ক কমিটির মধ্যে ঐক্যের বড়সর ফাটল জানান দিয়েছিলো। তবে সেদিনের সভায় অনেকটা “অনাহুতভাবে” সভাস্থলে হাজির হয়ে আহবায়ক মহিউদ্দিন বাচ্চু নিজের অবস্থান জানান দিয়েছিলো৷ সেদিনের সভায় পাল্টাপাল্টি স্লোগান ও হট্টগোলের সৃষ্টি দেখা দিলে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে আয়োজন তড়িঘড়ি করে শেষ করে সভাস্থল ছাড়েন যুবলীগ নেতারা।

তবে ৩ নভেন্বর জেলহত্যা দিবসের অনুষ্ঠানে চার যুগ্ম আহবায়ককে একমঞ্চে দেখা গেলেও এবার দেখা যায়নি আহবায়ক মহিউদ্দিন বাচ্চুকে । ইতিমধ্যে আহ্বায়ক মহিউদ্দিন বাচ্চুকে বাদ রেখে চার যুগ্ম আহ্বায়কের জোট বাঁধার কারণ হিসেবে আহ্বায়কের স্বেচ্চাচারিতা ও সাংগঠনিক নিয়ম বহির্ভূত কর্মকান্ডকে উল্লেখ করেছেন চার যুগ্ম আহবায়ক৷

জাতীয় শোক দিবস সহ বিভিন্ন জাতীয় দিবস উপলক্ষ্যে নগরীর বিভিন্ন সাংগঠনিক ওয়ার্ডে আহ্বায়কের একক কর্মসূচি পালনের অভিযোগ তুলেছেন তার চার যুগ্ম আহবায়ক দেলোয়ার হোসেন খোকা, ফরিদ মাহমুদ, মাহবুবুল হক সুমনকে ও দিদারুল আলম। সম্প্রতি আহবায়ককে বাদ দিয়ে কর্মসূচি পালন সম্পর্কে যুগ্ম আহবায়ক ফরিদ মাহমুদ সিক্সটিন বাংলাকে বলেন, যুবলীগের আহ্বায়ক কমিটিতে আহ্বায়কের একক কর্তৃত্ব কোন সুযোগ নেই৷ যেকোন সাংগঠনিক কর্মসূচি আহ্বানের পূর্বে সম্মিলিত সিদ্ধান্ত নিতে হয়৷ অথচ বেশ কিছু কর্মসূচি আহ্বায়ক তার একক ইচ্ছাতে পালন করেছেন যা কাম্য ছিলোনা৷ শেখ রাসেলের জন্মদিনের অনুষ্ঠান স্থলে হট্টগোল প্রসঙ্গে ফরিদ মাহমুদ বলেন, চট্টগ্রাম মহানগর যুবলীগের নেতা কর্মীদের নিয়ে দলীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সভায় সংগঠনের (যুবলীগ) সক্রিয় কোন নেতা কর্মীরা বিশৃংখলা সৃষ্টি করেনি, যারা করেছেন তারা হঠাৎ আগন্তুক।

আহ্বায়ককে ছাড়াই শেখ রাসেলের জন্মদিনের সভার আয়োজন করা হলেও হঠাৎ মহিউদ্দিন বাচ্চু সভাস্থলে হাজির হয়৷ ফলে একমঞ্চে পাঁচ নেতাকে দেখা যায়৷

নগর যুবলীগের বিভাজন সম্পর্কে মাহবুবুল হক সুমন প্রতিবেদককে বলেন, যুবলীগ হচ্ছে আওয়ামী পরিবারের হৃদস্পন্দন৷ আমরা জননেত্রী শেখ হাসিনার ভ্যানগার্ড। এখন দলীয় শৃংখলা এবং সাংগঠনিক কর্মকান্ড কোন ব্যক্তি বিশেষের খেয়াল খুশি মতন চলতে পারেনা৷ আজকে যারা ছাত্রলীগের নেতৃত্ব দিচ্ছে একদিন তারাই যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, আওয়ামী লীগের নেতৃত্ব দেবেন৷ এটাই আওয়ামী পরিবারের দীর্ঘদিনের চর্চা৷ এখানে দলভারি করার কোন বিষয় নাই৷ বরং সংগঠনকে শক্তিশালী করতে নবীনদের বরণ করাটা সাংগঠনিক কর্মকান্ডের অংশ৷ তবে এসবই হতে হবে নিয়মতান্ত্রিক ভাবে। আমরা যে চারজন যুগ্ম আহ্বায়ক আছি সংগঠনের প্রতি আমাদেরো দ্বায়বদ্ধতা আছে৷ সেই দ্বায়ের জায়গা থেকেই আমরা যুগ্ম আহ্বায়করা ঐক্যবদ্ধ ভাবেই সাংগঠনিক কর্মসূচি সফল করেছি৷

এই নগর যুবলীগের সার্বিক বিষয় সম্পর্কে নগর আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতাদের পাশাপাশি কেন্দ্রীয় যুবলীগ ও আওয়ামী নেতৃবৃন্দ ওয়াকিবহাল আছেন বলে জানিয়েছেন আরেক যুগ্ম আহ্বায়ক দেলোয়ার হোসেন খোকা৷ তিনি সিক্সটিন বাংলাকে বলেন, আমাদের চাওয়াটা অসাংগঠনিক কিছুই না৷ আমরা চাই যুবলীগ ঐক্যবদ্ধ ভাবেই এগিয়ে যাক৷ কিন্তু যখন দেখা যাচ্ছে বারবার কারো একক সিদ্ধান্ত সংগঠনের ওপর চাপিয়ে দেয়া হচ্ছে তখন তৃণমূলের নেতা কর্মীরাও আমাদের ওপর চাপ দেয়৷ এই অবস্থায় আমরা সংগঠনের ঐক্য ফেরাতেই ঐক্যবদ্ধ হয়েছি৷ নগর যুবলীগের বিগত একাধিক কমিটিতে দ্বায়িত্ব পালন করা দেলোয়ার হোসেন খোকা আরো বলেন, আমাদের চারজনের কোন আলাদা বিষয় নয়, এটা সম্মিলিত বিষয়৷ অতীতে একাধিক কমিটিতে কাজ করার সুবাদে আমরা দেখেছি যে কোন সিদ্ধান্ত নিজেদের ফোরামে আলাপ আলোচনা করে দলীয় প্যাডে যৌথ সাক্ষরে সিদ্ধান্ত গৃহিত হয় যা বেশ কিছুদিন যাবৎ আমাদের আহ্বায়ক কমিটিতে অনুসরন হচ্ছে না৷ আগামীকালও যদি আহ্বায়ক গঠনতান্ত্রিক ও সাংগঠনিক নিয়ম মেনে ঐক্যবদ্ধ ভাবে কাজ করতে চায় তাহলে তাতে আমাদের কোন আপত্তি থাকবে না৷

নগর যুবলীগের আহ্বায়ক আর যুগ্ম আহ্বায়ক ছাড়া কমিটিতে ৯৬ জন সদস্য (একজন বর্তমানে মৃত) আছে। এই আহ্বায়ক কমিটির সিংহভাগই তৎকালীন নগর আওয়ামী লীগের সভাপতি, সাবেক মেয়র প্রয়াত এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরীর অনুসারী। আহ্বায়ক মহিউদ্দিন বাচ্চু ও চার যুগ্ম আহ্বায়ক দেলোয়ার হোসেন খোকা, দিদারুল আলম, ফরিদ মাহমুদ ও মাহবুবুল হক সুমন প্রয়াত মহিউদ্দিন চৌধুরীর অনুসারি হিসেবে পরিচিত৷ ১০১ সদস্যের সেই আহ্বায়ক কমিটিতে সদ্য সাবেক মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীনের অনুসারী ৮ জনকে সদস্য হিসেবে রাখা হয়৷ ফলে নগর যুবলীগে মহিউদ্দিন বলয়ের একক আধিপত্য বিদ্যমান৷ যদিও মাঝ পথে সাবেক মন্ত্রী প্রয়াত আওয়ামী লীগ নেতা এম এ মান্নানের পুত্র যুগ্ম আহ্বায়ক দিদারুল আলমকে নগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আ জ ম নাছিরের ব্যানারে দেখে গেছে৷ বিভিন্ন জাতীয় কর্মসূচি গুলোতে আ জ ম নাছিরের অনুসারিদের নিয়ে নগর যুবলীগের ব্যানারে আলাদা কর্মসূচি পালন করে আসছে দিদারুল আলম৷ কিন্তু সম্প্রতি তাকেও অন্য তিন যুগ্ম আহ্বায়কের সাথে একই মঞ্চে অবস্থান করতে দেখা গেছে৷ এই প্রসঙ্গে জানতে চাওয়া হলে দিদারুল আলম সিক্সটিন বাংলাকে বলেন, আমি যুবলীগের বাহিরের কেউ নই৷ বাস্তবতার নিরিখেই যুবলীগের নেতা কর্মীদের নিয়েই নানান কর্মসূচি পালন করেছি৷ আমি তখনো এই এক নায়কতন্ত্রের প্রতিবাদ করেছি৷ আজ আমার অন্য তিন যুগ্ম আহ্বায়কও সেই একই কারণে ঐক্যবদ্ধ হয়েছে। রাষ্ট্র নায়ক শেখ হাসিনা যুবলীগকে ঢেলে সাজাতে যে উদ্যোগ নিয়েছেন আমাদেরো সেই লক্ষ্যকে সামনে রেখে এগিয়ে যেতে হবে৷ সংগঠনে বিতর্কিত কিংবা সুযোগ সন্ধানী কেউ যেন অনুপ্রবেশ করতে না পারে সেই জন্যে সম্মিলিত সিদ্ধান্তের বিকল্প নেই৷ এখন একক সিদ্ধান্তের কারণে সংগঠনের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হলে সেই দ্বায় আমরাদের ওপর বর্তাবে। কমিটির অন্য তিন যুগ্ম আহ্বায়ক বিলম্বে হলেও বিষয়টি অনুধাপন করেছেন তাই সংগঠনের স্বার্থেই আমরা ঐক্যবদ্ধ কর্মসূচি পালন করছি৷

আগামী কিছুদিনের মধ্যেই যুবলীগের কেন্দ্রীয় পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষনার প্রস্তুতি চলছে৷ নগরীতে রাজনৈতিক মহলে গুঞ্জন চলছে চার যুগ্ম আহবায়ককে না জানিয়ে অনেকটা গোপনে আহ্বায়ক কেন্দ্রে বিভিন্ম নাম প্রস্তাব করেছে৷ এই খবরে সংগত কারণে ক্ষুব্ধ চার যুগ্ম আহ্বায়ক৷ এছাড়া যুবলীগের জাতীয় কংগ্রেস ও বিভাগীয় প্রতিনিধি সভায় নগর যুবলীগের সক্রিয় নেতা কর্মীদের বাদ দিয়ে আহ্বায়কের পছন্দের লোকদের ডেলিকেট ও কাউন্সিলরের কার্ড পরিয়ে অংশ নেয়ার ঘটনায় বেশ ক্ষুব্ধ চার যুগ্ম আহ্বায়ক৷ আহ্বায়কের পছন্দের কার্ডধারীদের বেশীর ভাগই নগর যুবলীগের কোন পর্যায়ের সাথে কখনো সম্পৃক্ত ছিলো না বলে অভিযোগ উঠেছে৷ যদিও এই চার যুগ্ম আহ্বায়কের কেউই এসব অভিযোগ সম্পর্কে প্রকাশ্য মুখ খুলছেন না তবে কমিটির জন্য নাম প্রস্তাবের ইস্যুটিকে কেন্দ্র করেই যে সম্প্রতি আহ্বায়কের সাথে চার যুগ্ম আহবায়কের অশন্তোষ দানা বেঁধেছে সেটা নগর আওয়ামী লীগ নেতারাও জানতে পেরেছেন৷

তবে এই ধরণে কোন নাম কোথাও পাঠানো হয়নি বলে সাফ জানিয়েছেন আহ্বায়ক মহিউদ্দিন বাচ্চু৷ তিনি সিক্সটিন বাংলাকে বলেন, আমার সাথে চার যুগ্ম আহ্বায়কের মধ্যে কোন বিভাজন নেই৷ কথিত স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ প্রসঙ্গে মহিউদ্দিন বাচ্চু বলেন, আজ অব্দি দলীয় ফোরামে এই অভিযোগটি কেউ উত্থাপিত করেনি৷ আর আমি কখন কোথাই কার নাম কেন্দ্রে পাঠিয়েছি সেই অভিযোগের কোন ভিত্তি নেই৷ মূলত আসন্ন কমিটিতে নিজেদের স্থান করে নিতে অনেকে নানান ফাঁক খুঁজে৷ এই কারণে নানান কথা ছড়ানো হচ্ছে। তাকে বাদ দিয়ে ৩ নভেম্বর জেলহত্যা দিবস’র কর্মসূচি পালনের কারণ জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, সব কর্মসূচিতে যে আমাকে থাকতেই হবে এমন কোন কথা নেই৷ সেদিন আমাদের একাধিক অনুষ্ঠান ছিলো। হয়তো একটিতে আমি এটেন্ড করতে পারিনি। তাহলে কি সংগঠনে কোন বিভক্তি বা বিভাজন হয়নি? এই প্রশ্নের জবাবে মহিউদ্দিম বাচ্চু কোন প্রকার বিভক্তি বা কথিত বিভাজন নেই বলেই জানান৷ তিনি সিক্সটিন বাংলাকে বলেন, আমি তো কোন অভিযোগ শুনিনি৷ আমার বিরুদ্ধেও যদি কোন সুস্পষ্ট অভিযোগ থাকে তাহলে তো সেটা সবার আগে আমাকেই জানতে হবে৷ অথবা নগর আওয়ামী লীগের সিনিয়র নেতৃবৃন্দরা তো জানার কথা।

এদিকে আহ্বায়ক বেশীরভাগ সদস্য আগে থেকেই আহ্বায়কের অনুসারি হিসেবে পরিচিত৷ সেক্ষেত্রে সংখ্যার বিচারে আহ্বায়কের পাল্লা ভারী কিনা এই প্রশ্নের জবাবে যুগ্ম আহ্বায়ক মাহবুবুল হক সুমন বলেন, এখানে পাল্লাভারী বা কমের প্রশ্নই উঠেনা৷ কারণ এখানে ভোটাভুটির কোন বিষয় নেই৷ এই প্রসঙ্গে ফরিদ মাহমুদ বলেন, কমিটির মূখ্য দ্বায়িত্ব আহ্বায়ক ও চার যুগ্ম আহ্বায়কের। সদস্যরা নীতি নির্ধারনি পদে নয় বরং সাংগঠনিক কর্মসূচিতে সহকারীর ভূমিকা পালন করে থাকে৷ তবে কমিটির সদস্যদের বিষয়ে যুগ্ম আহ্বায়কদের বক্তব্যের ঠিক উলটো কথা বলছেন আহ্বায়ক মহিউদ্দিন বাচ্চু৷ তার দাবী কমিটিতে আহ্বায়কের ওপরই সিদ্ধান্ত নেয়ার ক্ষমতা অর্পিত আছে এবং প্রয়োজন আহ্বায়ক সংখ্যা গরিষ্ঠ সদস্যদের মতামতের ভিত্তিতে যে কোন স্বিদ্ধান্ত নিয়ে পারে৷

এই বিষয়ে নিজেদের মধ্যে একাধিকবার আলোচনা হয়েছে বলে স্বিকার করে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিন আওয়ামী লীগ নেতা সিক্সটিন বাংলাকে বলেছেন, দীর্ঘদিনের পুঞ্জিভুত অভিমান ক্ষোভে রুপ নিয়েছে আমরা এই ক্ষোভ উপসমে সবাইকে সহনশীল থাকার পরামর্শ দিয়েছি৷ ইতিমধ্যে কেন্দ্রীয় যুবলীগের নেতৃবৃন্দের সাথেও শীর্ষ একাধিক নেতার এই বিষয়ে আলাপ হয়েছে বলে জানা গেছে৷ এবার দেখা বিষয় আগামীদের এই বিভাজন দূর হয় নাকি দূরত্ব আরো বাড়বে৷

ট্যাগ :