বাংলাদেশ, বুধবার, ৩ মার্চ ২০২১

৭নং ওয়ার্ডে স্বতন্ত্র প্রার্থীর প্রচারণায় বাধা, নারীকর্মীরা লাঞ্ছিত : প্রাণহানীর আশংকা


প্রকাশের সময় :১৯ জানুয়ারি, ২০২১ ৬:২০ : অপরাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক : চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক) নির্বাচনের নির্বাচনী প্রচারনাকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন ওয়ার্ডে সংঘাত-সংঘর্ষের ঘটনা দিন দিন বেড়েই চলেছে। ভোটের আগেই কাউন্সিলর প্রার্থীরা একে অন্যকে হটিয়ে দিতে মরিয়া হয়ে উঠছে৷ ইতিমধ্যে প্রতিপক্ষের হামলায় ঝরে গেছে একটি তাজা প্রাণ৷

নগরীর ৭নং ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগ সমর্থিত কাউন্সিলর প্রার্থী মোবারক আলীর সমর্থক ও কর্মীদের বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বী অপর স্বতন্ত্র কাউন্সিক প্রার্থী মোঃ এয়াকুবের নির্বাচনী প্রচারণায় দফায় দফায় বাঁধা দেয়ার পাশাপাশি নারীকর্মীদের লাঞ্ছনা করার অভিযোগ উঠেছে। সোমবার (১৮ জানুয়ারি) বিকেলে নগরীর বায়েজিদ থানাধিন ৭ নম্বর ওয়ার্ডের মোহাম্মদনগর এলাকায় এ হামলার ঘটনা ঘটে। আজ (১৯ জানুয়ারি) মোবারক আলী ও তার সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ জানিয়েছে স্বতন্ত্র প্রার্থী মোঃ এয়াকুব৷

গতকালের ঘটনার এয়াকুবের নারীকর্মী হোসনে আরা পারুল, নুরতাজ বেগম, শাহিন বেগম,টুম্পা, ফারজানা, মিথিলা, কাজল হামলার শিকার হয়েছে বলে অভিযোগে জানানো হয়। এই ঘটনার দুটি ভিডিও ক্লিপ ও ছবি চসিক নির্বাচনে রিটার্নিং কর্মকর্তা ও প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে প্রদান করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন কাউন্সিলর প্রার্থী মো. এয়াকুব। তিনি অভিযোগ করে বলেন, বায়েজিদ থানার মোহাম্মদনগর এলাকায় আমার সমর্থনে প্রচারণার সময় আওয়ামী লীগ প্রার্থী মনোনীত মোবারক আলীর সমর্থকরা আমাদের গাড়িচালককে মারধর করে এবং ৯ নারীকর্মীকে গালিগালাজ ও লাঞ্ছিত করে। এসময় তারা আমার প্রতিক মিষ্টি কুমড়ার প্রচারণা চালানো যাবে না বলে প্রকাশ্য হুমকি দিতে থাকে।

হামলার সময়ের ভিডিও ফুটেজ ও ছবি দেখে হামলাকারীদের মধ্যে তিনজনের পরিচয় জানা গেছে৷ মিলন, মনসুর ও সরওয়ার প্রকাশ টমেটো সরওয়ার

হামলাকারী (নীল জামা) মিলন ও (সাদা গেঞ্জি) সরওয়ার প্রকাশ টমেটো সরওয়ার।

মোবারক আলীর ঘনিষ্ঠ হিসেবে এলাকায় বেশ পরিচিত৷ এদের সবাইকে মোবারক আলীর টিফিন ক্যারিয়ার প্রতিকে ভোটের প্রচারণা চালাতে দেখা গেছে৷

 

দু’দফা হামলার ঘটনার শিকার ওয়ার্ড মহিলা লীগের সভাপতি হোসনে আরা পারুল বলেন, ইয়াকুব ভাইয়ের পক্ষে প্রচারণা শুরুর পর থেকে মোহাম্মদনগর, শান্তিনগর, হিলভিউ, আলীনগর ও আমিন কলোনি এলাকায় আমাদের প্রচারণা চালাতে দিচ্ছে না। ইতিমধ্যে একাধিকবার কাউন্সিলর প্রার্থী মোবারক আলীর লোকজন প্রকাশ্য আমাদের ব্যানার খুলে নিয়ে নারী কর্মীদের অকথ্য ভাষায় গালাগাল করছে । গতকাল পুলিশ না এলে আমাদের মা-বোনদের আরও খারাপ কিছু ঘটে যেতো৷

তবে এই হামলাকে ছোট খাটো ব্যাপার হিসেবে দেখছে বায়েজিদ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রিটন সরকার। তিনি গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, নির্বাচনে স্বাভাবিকভাবে যা হয় তা হয়েছে আরকি৷ পরিস্থিতি শান্ত ও স্বাভাবিক আছে৷ এই বিষয়ে জানতে মোবারক আলীর সাথে যোগাযোগ করা হলে তাকে পাওয়া যায়নি৷

ট্যাগ :