বাংলাদেশ, শুক্রবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১

৭ শতাধিক ক্যামরা অপরাধ নিয়ন্ত্রণ ও অপরাধী শনাক্তে চোখ রাখবে


প্রকাশের সময় :১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ১:৫২ : অপরাহ্ণ

অপরাধ নিয়ন্ত্রণ ও অপরাধী শনাক্তে নতুন করে আরও সাত শতাধিক ক্লোজড সার্কিট ক্যামেরা (সিসিটিভি) নিয়ন্ত্রণে নিচ্ছে সিএমপি’র পুলিশ। এসব ক্যামেরার চোখে দিন-রাত ২৪ ঘণ্টা পুরো নগরীর অলি-গলির দৃশ্যে চোখ রাখবে পুলিশের আট সদস্য। ‘আই অব সিএমপি’ নামের নতুন এ প্রজেক্ট নিয়ন্ত্রণে রাখতে ইতিমধ্যে নগর পুলিশের প্রধান দপ্তরের চতুর্থ তলায় প্রস্তুত করা হয়েছে একটি নিয়ন্ত্রণ কক্ষও। সিএমপির সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, ‘আই অব সিএমপি’ আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করবে। যদিও ইতোমধ্যে এসব ক্যামেরা নিয়ন্ত্রণে নিতে সম্পন্ন করা হয়েছে প্রস্তুতি। একইসঙ্গে এসব ক্যামেরা বা তার দৃশ্যের কোন ত্রুটি সঙ্গে সঙ্গে সারাতে নিয়ন্ত্রণ কক্ষেই সার্বক্ষণিক একটি টেকনিক্যাল টিম থাকার কথা জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। সিএমপি কর্তৃপক্ষ জানান, ২০১৪ সালে নগরীর গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে ১০৪টি সিসিটিভি স্থাপন করা হয়। পরে ট্রাফিক পুলিশের অধীনে ৪৪টি এবং বিট পুলিশের অধীনে আরও ৮০টি ক্যামেরা বসানো হয়। যদিও এসব ক্যামেরার মধ্যে কিছু অকেজো হয়ে পড়ে। তবে নতুন করে এ প্রকল্প হাতে নেয়ায় অপরাধ নির্মূল ও অপরাধী চিহ্নিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাজ আরও সহজ হয়ে ওঠবে বলে মত সংশ্লিষ্টদের।
সিএমপির ডেপুটি পুলিশ কমিশনার মো. আমির জাফর জানান, নগরজুড়ে ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের উদ্যোগে স্থাপন করা আড়াই হাজারের মতো ক্যামেরার লিংক সংগ্রহ করা হয়েছে। যারমধ্যে সাতশ’ ক্যামেরাকে গুরুত্ব দেয়া হয়। কয়েক দিনের মধ্যে এই কার্যক্রম উদ্বোধন করা হবে। গত এক বছরে নগরীতে ঘটে যাওয়া কয়েকটি চুরি ও ডাকাতির ঘটনায় দ্রুত অপরাধী গ্রেপ্তারে সিসিটিভির ফুটেজই কাজে দিয়েছে উল্লেখ করে সিএমপির ঊর্ধ্বতন এ কর্মকর্তা আরও বলেন, ‘সিএমপি কমিশনার সালেহ মোহাম্মদ তানভীর পুরো শহরটাকে সিসিটিভি ক্যামেরার আওতায় আনার উদ্যোগ গ্রহণ করেন। যার প্রেক্ষিতেই এ প্রজেক্ট। ধীরে ধীরে লিংকের স্থলে নিজস্ব ক্যামেরাও স্থাপনের উদ্যোগ নিবে সিএমপি।
‘আই অব সিএমপি’ নামের এ প্রজেক্টের সমন্বয়ক কোতোয়ালী জোনের সহকারী কমিশনার (এসি) মো. মুজাহিদুল ইসলাম বলেন, ‘লিংকের ক্যামেরার দৃশ্য নিয়ন্ত্রণে থাকলেও আপাতত তার ধারণকৃত ফুটেজ সংরক্ষণ হবে না। যদিও সিএমপির নিজস্ব প্রায় আড়াইশ’ ক্যামেরার ফুটেজ ইতোমধ্যে ১৫ দিন পর্যন্ত রেকর্ড থাকে। তবে নতুন করে লিংককৃত ক্যামেরার স্থলে সিএমপির নিজস্ব ক্যামেরা স্থাপন হবে, তখন পুরোপুরি ফুটেজ সংরক্ষণ করা যাবে’।
উল্লেখ্য, নিয়ন্ত্রণ কক্ষের মনিটরিং টিমটি সরাসরি সিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (অপরাধ) এর নেতৃত্বে থাকবে। যারা সিএমপির যেকোন থানা এলাকায় ঘটে যাওয়া ঘটনা সঙ্গে সঙ্গে কক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট থানাকে অবহিত করবে। কিংবা সংশ্লিষ্ট থানা অপরাধী শনাক্তে সহযোগিতাও নিবে নিয়ন্ত্রণ কক্ষ থেকে।

ট্যাগ :